Views

আলহামদুলিল্লাহ।

আশুরা এলে শিয়ারা নিজের গালে চপেটাঘাত করা, নিজেকে প্রহার করা, মাথায় জখম করা, রক্তপাত করা ও খাবার প্রস্তুত করা ইত্যাদি যা করে থাকে সবগুলো নব-প্রচলিত গর্হিত বিদাত। এগুলোতে অংশ গ্রহণ করা কিংবা এগুলো পালনে তাদেরকে সহযোগিতা করা নাজায়েয। কেননা সেটা হবে পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে সহযোগিতা করা।

তারা তাদের বিদাত ও ভ্রষ্টতা বাস্তবায়নের জন্য যে খাবার প্রস্তুত করে থাকে সে খাবার খাওয়া নাজায়েয।

শাইখ বিন বায (রহঃ) বলেন: “এটি জঘন্য গর্হিত কাজ ও গর্হিত বিদাত। এটি বর্জন করা ওয়াজিব। এতে অংশ গ্রহণ করা নাজায়েয। এ উপলক্ষে যে খাবার পেশ করা হয় তা খাওয়া নাজায়েয।”

তিনি আরও বলেন: “এতে অংশগ্রহণ করা, যে সব পশু জবাই করা হয় সেগুলোর গোশত খাওয়া, যে সব পানীয় সরবরাহ করা হয় তা পান করা– নাজায়েয। আর যদি জবাইকারী প্রাণীটিকে আল্লাহ্‌ ছাড়া অন্য কারো জন্য জবাই করে থাকে যেমন- আহলে বাইত (নবীর পরিবার) এর জন্য কিংবা অন্য কারো জন্য তাহলে সেটা ‘বড় শিরক’। যেহেতু আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন:  “বলুন, আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ্‌রই জন্য। তাঁর কোন শরীক নেই। আর আমাকে এরই নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এবং আমি মুসলিমদের মধ্যে প্রথম।”[সূরা আনআম, আয়াত: ১৬২-১৬৩] আল্লাহ্‌ তাআলা আরও বলেন: “নিশ্চয় আমরা আপনাকে কাউছার দান করেছি। অতএব, আপনি আপনার রবের জন্য নামায আদায় করুন এবং কুরবানি করুন।”[সূরা আল-কাউছার, আয়াত: ১-২]

[ফাতাওয়াস শাইখ আব্দুল আযিয বিন বায, (৮/৩২০)]

তবে, তাদের খাবার গ্রহণ না করলে যদি আপনি বিপদের মুখোমুখি হন সে ক্ষেত্রে এই ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য সে খাবার গ্রহণে কোন গুনাহ্‌ নেই।

আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন।

আশুরা উপলক্ষে প্রস্তুতকৃত খাবার খাওয়ার হুকুম